1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : Mohsin Molla : Mohsin Molla
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও ত্যাগ আর পরিক্ষা ছাড়া শেখ হাসিনার কর্মী হওয়া যায় না
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৪ অপরাহ্ন

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও ত্যাগ আর পরিক্ষা ছাড়া শেখ হাসিনার কর্মী হওয়া যায় না

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১

বশির আহম্মেদ মোল্লা (নরসিংদী) প্রতিনিধি :

রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু ছিলেন নীতি ও আর্দশের প্রতীক। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাঙালী জাতির চিরন্তর প্রেরণার উৎস। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে শত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। তার দেখানো পথেই তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফলভাবে করোনা মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে কাংক্ষিত লক্ষ্যে। বঙ্গবন্ধুর মধ্যে যে তেজস্বীতা, কাজের প্রতি একাগ্রতা, বিশ্বাসের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা, স্বপ্ন দেখার অসাধারণ ক্ষমতা, অনন্য ব্যক্তিত্ব এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমরা দেখেছি তা সবার জন্যই অনুকরণীয়।

বাঙালিরা ভাগ্যবান যে তাদের একজন শেখ মুজিব ছিলেন, যার বজ্রকণ্ঠ, অনবদ্য সাহস ও অসাধারণ নেতৃত্ব না থাকলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতে হয়তো আরও ৫শ বছর লেগে যেতো। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দেয়নি।

‘বঙ্গবন্ধু সকলের রক্তে পাতা মেলুক, বঙ্গবন্ধু সকলের রক্তকে জাগিয়ে তুলুক এই স্বপ্ন দেখি’। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করাই হোক মুজিববর্ষে সকলের অঙ্গীকার। এডভোকেট আব্দুল মোমেন চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের আগস্টের কালরাতে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পাশাপাশি হত্যা করেছে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে। এ ছাড়াও, সেদিন ঘাতকদের হাতে প্রাণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নীপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিণী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। দেশের মানুষ এখন অনুধাবন করতে পারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করে দেশে পাকিস্তানি ভাবধারা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী এবং দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।

“জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও ত্যাগ আর পরীক্ষা ছাড়া

শেখ হাসিনার কর্মী বা ভাল সংগঠক হওয়া যায় না”

– এড.মোমেন চৌধুরী (সদস্য, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ)

শোকাবহ আগস্টে সমগ্র জাতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম ও অন্যান্য সামাজিক- সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধ্রা, ভালোবাসা ও ভাবগম্ভীর আর বেদনাবিধূর পরিবেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল জাতির জনকের কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর করে জাতি কলঙ্কযুক্ত হয়েছে। তিনি আরো বলেন,নরসিংদী জেলা রায়পুরা উপজেলা মহেষপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ঢাকাস্থ রায়পুরা সমিতির ২ বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদের সদস্য এডভোকেট আব্দুল মোমেন চৌধুরী ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৩ বারের নির্বাচিত মেয়র এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছের হাত ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অভিষেক।

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশের লড়াকু সৈনিক হিসেবে ১৯৮৭-৮৮ সনে অনেক লড়াই সংগ্রাম এর মধ্য দিয়ে ভৈরব হাজী আসমত কলেজের ছাত্রলীগ থেকে জিএস পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে প্রতিদ্বন্ধিসঢ়;দ্বতা করা হয়েছিল আমাদের সেই পরিষদ নাম ছিল আল-আামিন-মোমেন পরিষদ। তৎকালিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জিল্লুর রহমান এবং ভৈরব উপজেলা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান ৩ বারের নির্বাচিত মেয়র এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ এর সহযোগীতায় ভৈরবের ছাত্রলীগের রাজনীতি কার্য্যক্রম পরিচালনা করতে সকলের প্রিয় নেতা রাষ্ট্রপতি প্রয়াত আলহাজ্ব জিল্লুর রহমান এর সরাসরি নির্দশনায় তার অনুপ্রেরনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপন বাস্তবায়ন করতে জননেত্রীর শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে বিরোধী দলের রক্তচোক্ষ উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের দলীয় সকল কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে হয়েছিল। তার পর ৯০ এর আন্দোলনে আমরা নরসিংদী ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে শক্ত ভূমিকা রাখতে গিয়ে অনেক রাজনীতি হয়রানীর শিকার হতে হয়ে ছিলাম। ৯০ এর এরশাদ বিরোধি অন্দোলন করতে গিয়ে জামাত শিবির এর শারীরিক নির্যাতন এর ফলে প্রায় দেড় মাস ঢাকার রাশমনো হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ছিলাম।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় ১৯৯১-৯২ সালে মাস্টার্স করি। তখন ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আমাকে ছাত্রশিবিরের ক্যাডারা আমার উপর কয়েক বার হামলা ও মামলার শিকার হয়। তৎকালিন ভয়ভিতি উপেক্ষা করে আওয়ামী বিরোধী অত্যচার নির্যাতন সকল ধরনের হুমকি-দামকি সহয্য করে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতে হয়েছিল। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সময় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম করতে গিয়ে বিএনপি- জামায়াতের হামলা-মামলা মাথায় ও জীবনের ঝুকি নিয়ে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক বার পুলিশি পিটা খেয়ে কারাবরন করতে হয়েছিল। পরে লেখাপড়া শেষে নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও নিজ এলাকায় রায়পুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসাইনের উপস্থিতিতে রায়পুরা থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলে আহবায়ক প্রফেসর নাসির উদ্দিন’ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হয়েছিল।

তৎকালীন নরসিংদী জেলা কৃষকলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা হয়েছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রীর শেখ হাসিনার সুনাম ধরে রাখার জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবি পরিষদের সদস্য হিসেবে ঢাকাতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সততার সাথে ‍ভুলিষ্ট পালন করে সাংগঠনিক আস্তা অর্জন করে সকল কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সদস্য হিসেবে সাংগঠনিক ও সামাজিক সকল কর্মকান্ডে আমার বাবার অর্থসম্পদ থেকে একজন আইনজীব হিসেবে নিজের কামানো লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। শুধু আইনজীবি পেশা ছাড়া আমার অন্য কোন ব্যবসা বাণিজ্য নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রীর শেখ হাসিনার একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে ভাল কাজ করে সারা জীবন সুনাম ধরে রাখতে চাই। সংগঠনের দু:সয়ের পরিক্ষিত ত্যাগী কর্মী হিসেবে আমার ভাল কর্মের জন্য স্বীকৃতি স্বরুপ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সদস্য হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, জননেত্রী থেকে বিশ্বনেত্রী মানুষ কন্যা ৪ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের দীর্ঘয়ু কামনা করি।

এ সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে ১৯৮৭-৮৮ সনের ছাত্রলীগ থেকে এ পযর্ন্ত আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক বিভিন্ন কার্যক্রমের ধারা অব্যহত রাখতে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জাতীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে দিন রাত্র অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। সকলের প্রিয় নেতা মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক নরসিংদী ৫ আসনের ৬ বার এর এমপি সাবেক মন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজুর হাতকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় পযার্য়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে নিয়মিতভাবে সাংগঠনিক ও সামাজিক কর্মকান্ড পালন করে মানুষের আস্তা অর্জন করে আসছি ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, জননেত্রী থেকে বিশ্বনেত্রী মানুষ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদশের সৈনিক হিসেবে কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশ বাস্তবায়ন করতে চাই ।

 

এমটিকে/বাংলারচোখ

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 | বাংলার চোখ নিউজ  
Theme Customized BY LatestNews