বাংলার চোখ | তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে 'হ্যান্ড পেইন্টিং'
  1. [email protected] : mainadmin :
বাংলার চোখ | তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে 'হ্যান্ড পেইন্টিং'
রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে ‘হ্যান্ড পেইন্টিং’

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময় বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৩৯ দেখেছেন

 উম্মে তামিমা রিনি

আমাদের দেশে তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে ‘হ্যান্ড পেইন্টিং’। ই-কমার্সের সূত্র ধরে হ্যান্ড পেইন্টিং পরিচিতি পাচ্ছে সবার কাছে। স্বল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় বলে অনেকেই বিশেষ করে তরুণ শিক্ষার্থীরা ব্যবসার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন এটিকে, দূর করছেন বেকারত্ব। আবার স্বল্প খরচে অনেকের শখ পূরণের মাধ্যম ও এটি। হাতের মাধ্যমে রং ব্যবহার করে নির্দিষ্ট জিনিসের উপর কোনো কিছু অঙ্কণ করাই হল ‘হ্যান্ড পেইন্টিং’। অনেকেই হস্তশিল্পের সাথে হ্যান্ড পেইন্টিং এর পাথর্ক্য খুঁজে পান না। তারা মনে করেন হস্তশিল্প মানেই হ্যান্ড পেইন্টিং। প্রকৃতপক্ষে হস্তশিল্পের একটি অংশ হলো হ্যান্ড পেইন্টিং। সব হাতে আঁকা জিনিসই হস্তশিল্প কিন্তু সব হস্তশিল্প হাতে আকাঁ নয়। আর ফেব্রিক পেইন্টিং, গ্লাস পেইন্টিং, ওয়াল পেইন্টিং প্রভৃতি হ্যান্ডপেইন্টিংয়ের অংশ। হ্যান্ড পেইন্টিংয়ের জন্য রং, রং তুলি এসব প্রয়োজনীয় সামগ্রী সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় সামগ্রী : হ্যান্ড পেইন্টিংয়ে খুব বেশি জিনিসের প্রয়োজন হয় না। অল্প কিছু জিনিস ব্যবহার করেই হ্যান্ড পেইন্ট করা যায়।
১.রং- রং হ্যান্ড পেইন্টিংয়ের অপরিহার্য একটি উপাদান। এই পেইন্টিংয়ে ব্যবহার করা যাবে অ্যাক্রিলিক রং বা ফেব্রিক রং। সঠিক ঘনত্বের রং পেতে মিডিয়াম মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে। সাধারণত এক্রেলিক বা ফেব্রিক রং এ মিডিয়াম মেশানোর প্রয়োজন হয় না। সরাসরি ব্যবহার করা যায়।
২. মাধ্যম – মাধ্যম হিসেবে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন জিনিস ব্যবহার করা যায়। সাধারণত শাড়ি, কাঠের গহনা, শো পিস,ক্যানভাস, কাগজ, কাঠ, জামায় হ্যান্ড পেইন্ট করা হয়। আমাদের চারপাশে এগুলোর ব্যবহারই বেশি। এর বাইরেও অনেক জিনিসেই হ্যান্ড পেইন্ট করা যায় এবং তা দিয়ে ব্যবসাও করা সম্ভব। অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুতেই হ্যান্ড পেইন্ট করা যায়। পানির বোতল, সসের বোতল, জেলির বয়াম, ফুলের টব, সানগ্লাস, লেডিস ব্যাগ, মানি ব্যাগ, টি ব্যাগ, চায়ের কেটলি, কাপ, মাটির তৈজসপত্র এমন আরও অনেক জিনিস রয়েছে যা আমাদের ভাবনার বাইরে। এসব ব্যতিক্রম জিনিসে হ্যান্ড পেইন্ট করা উচিত। কারণ ব্যতিক্রম জিনিস মানুষ দ্রুত গ্রহণ করে।
৩. রং তুলি বা ব্রাশ- রং করার জন্য চিকন তুলি না মোটা রং তুলি দরকার , তা নির্ভর করে নকশা বা ডিজাইনের উপর। সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষেত্রে চিকন তুলিই প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রাপ্তির স্থান : যে কোন লেইস-ফিতা, সুতার দোকান বা বড়ো বড়ো স্টেশনারি দোকানগুলোতে ফেব্রিক রং, এক্রেলিক রং, রং তুলি পাওয়া যায়। এছাড়াও ঢাকার গাউছিয়া মার্কেটের বিপরীতে দিকের দোকান গুলোতে কাঠের গহনা, রং এসব কিছু পাওয়া যায়। আর উদ্যোক্তারা এগুলো চক বাজারের নূরজাহান মার্কেট সহ অন্যান্য মার্কেট থেকে পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। এক্রেলিক বা ফেব্রিক রং সাইজ অনুযায়ী দেশি গুলো ২০/২৫ টাকা।ইন্ডিয়ান বড় গুলো ৩০/৩৫ টাকা। আশা করি লেখাটি হ্যান্ড পেইন্টিংয়ে আগ্রহীদের কাজে লাগবে। তাহলে আর দেরি না করে স্বল্প পুঁজিতে শিক্ষা জীবনের পাশাপাশি শুরু করতে পারেন আপনার কর্মজীবনও, তৈরি করতে পারেন নিজের নতুন পরিচয়, করতে পারেন সাধ্যের মধ্যে অসাধ্য সাধন।

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 www.banglarchokhnews.com  
Theme Customized BY LatestNews