1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : special_reporter :
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | ফুলবাড়ীতে মিষ্টি আলু চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৫:১৭ অপরাহ্ন

ফুলবাড়ীতে মিষ্টি আলু চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২

মোঃ আরিফুল ইসলাম :

মিষ্টি আলু আবাদে সফলতার মুখ দেখছেন ফুলবাড়ীর চাষিরা।ফুলবাড়ী উপজেলায় কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৫৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলুর আবাদ হয়েছে।

ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী যতীন্দ্র নারায়ণ গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম,লাল মিয়া,চান মিয়া,মমিনুল ইসলাম ‘ওকিনওয়া’ জাতের মিষ্টি আলু চাষ করেছেন।

আগে যেখানে কেবলমাত্র একটি ফসল হতো এবং আমন পরবর্তী সময়ে পতিত থাকত, সেই জমিতে প্রায় ৭০ মন মিষ্টি আলু পাওয়া যায়।যার বর্তমান খুচরা বাজার মূল্য কজি ৩০ টাকা উৎপাদন খরচ কম ও ভালো মূল্য পাওয়ায় আগামীতে অনেক কৃষক এটির চাষ করবে।বাজার মূল্যও গোল আলুর তুলনায় ভালো এবং ঝুঁকি কম, এজন্য আগামীতে এর আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে।

উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকমন্ডপের চাষি এমদাদুল ও অন্নদা,চরগোরকমন্ডপ গ্রামের কৃষক আলামিন ও শাহাজাদী এবং বালাতারী গ্রামের ফজলু মিয়া সহ অনেকে প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে ‘মুরা সাকি’ জাতের মিষ্টি আলু চাষ করেছেন।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তারা ভালো ফলনের আশাবাদী।

উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে কৃষকরা অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করেই লাভের মুখ দেখছেন বলে জানান চাষিরা।

তারা জানান গত কয়েক বছর ধরে বাজারে মিষ্টি আলুর চাহিদা বেড়েছে। ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী বাজারে মিষ্টি আলুর দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। মিষ্টি আলু চাষাবাদে তেমন একটা সার প্রয়োগ করতে হয় না বলে খরচ কম। এ ফসলে তেমন কোনো রোগ বালাইও দেখা যায় না। তাই এই আবাদে অল্প পুঁজি ও শ্রমে অধিক লাভ পাওয়া যায়। যে কারণে মিষ্টি আলু চাষ করে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন দেখছেন এই উপজেলার কৃষকরা।

উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃফকরুল আলম,মোঃআরিফুল হক বক্শী এবং মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান মিষ্টি আলুর এই জাত গুলো উচ্চ ফলনশীল, ঝুঁকি ও রোগ পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায়,অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায়। এটি স্বল্প জীবন কালীন এবং অত্যন্ত পুষ্টি সমৃদ্ধ উচ্চ মূল্যের একটি সবজি।ফুলবাড়ী আবহাওয়া এবং মাটি এটি চাষের জন্য উপযোগী এবং এ ফসলে ঝুঁকিও কম। এটি মাটিকে ঢেকে রাখে বলে মাটিতে অনেক দিন রস থাকে, আগাছা কম হয় এবং এর পাতা পচে উৎকৃষ্ট সার হয়।

আরও বলেন, এটি সম্প্রসারণের জন্য আমরা কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষককে সার,লতি ও নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং প্রদর্শনী সহায়তা দিচ্ছি এবং এটি সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছি। আগামীতে এর আবাদ ও এলাকা বৃদ্ধি পাবে।

 

//এমটিকে

শেয়ার করুন...

আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 | বাংলার চোখ নিউজ
Theme Customized BY LatestNews