1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : Mohsin Molla : Mohsin Molla
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | বান্দরবানে পাথর উত্তোলনে পানি শুন্য,নিশ্চুপ প্রশাসন
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

বান্দরবানে পাথর উত্তোলনে পানি শুন্য,নিশ্চুপ প্রশাসন

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ রবিবার, ৯ মে, ২০২১
আকাশ মার্মা মংসিং ,(বান্দরবান) প্রতিনিদি :  
বান্দরবানে থানচি, রুমা ও লামা  উপজেলায় সদরস্থল সহ বলিপাড়া, তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নও লামা উপজেলার ইয়াংছা মৌজার সামুখাল থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন। থানচি নতুন নির্মানাধীন থানচি লিটক্রে সড়কে ধারে পাথরে বিশাল মজুতও গড়ে তুলছেন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটে চক্র। অবৈধভাবে বিভিন্ন নদী,খাল ,ঝিড়ি ঝর্না ও ছড়া থেকে প্রাকৃতি পাথর উক্তোলন পাচারকারীরা অবাধে পাচার করছেন। ঐ এলাকায় ষ্টোন ক্রাশিং মেশিনে (পাথর ভাঙার যন্ত্র)প্রকাশ্যে দিবাত্রি পাথর ভাঙা হয়। পাথর ভাঙা এলাকাবাসী ও প্রশাসনে কানে , চোখে পড়লেও পাচারকারীরা শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র হওয়া করার কিছু নেই।
শহরস্থল টংকাবতি গহীন জঙ্গলে ভিতর চলছে পাথর উত্তোলন। থানচি হতে লিটক্রে সড়কের সেনা সদস্যদের স্কেভ্যাটর সহযোগিতায়, ১২/১৩ কিলো, ২৪ কিলো, ৩২কিলো, ২৭ কিলো,৪৫ কিলো, এভাবে চলছে পাথর উত্তোলন।এইকদিকে থেমে নেই লামা উপজেলার ইয়াংছা মৌজার সামুখাল থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনও । ভবিষ্যতে পাহাড় বসবাসরত মানুষের পানি সংকটে একদিন মারা যাবে।
বিভিন্ন জায়গায় গহীন জঙ্গলে ঝিড়ি-ঝর্ণা, ছড়াগুলো থেকে অবৈধ ভাবে পাথর আহরণের পানি শুকিয়ে গেছে। শুকিয়ে গেছে পাথর তলাবিহীন হতে পানি বের হওয়া স্রোত ও। পাহাড়ে বন, ঝিড়ি, ঝর্ণা, ছড়াগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়াই প্রাকৃতিক পরিবেশ ভারসাম্য হারিয়ে মানুষের জীবন যাত্রা প্রকৃতি ও জীব বৈচিত্র্যসহ হুমকির মুখে স্থানীয় জনজীবন।
অবৈধ ভাবে পাথর আহরণের কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে আইলমারা ঝিড়ি, মাংগই ঝিড়ি, বালু ঝিড়ি, নাইক্ষ্যং ঝিড়ি, শিলা ঝিড়ি, মংগকগ্রী ঝিড়ি, পদ্ম ঝিড়ি, হাব্রু হেডম্যান পাড়া ঝিড়ি, বোডিং পাড়া ঝিড়ি, চমি পাড়া ঝিড়ি, লাকপাইক্ষ্যং ঝিড়ি, চইক্ষ্যং ঝিড়ি, কাইতাং পাড়া ঝিড়ি, কুংলা পাড়া ঝিড়ি, সিংত্লাংপি পাড়া ঝিড়ি, সালেক্যা পাড়া ঝিড়ি ও শেরকর পাড়া ঝিড়িসহ ঝিড়ি শাখা-প্রশাখা আরো ছোট বড় শতাধিক ঝিড়ি। এই সমস্ত ঝিড়ি, ঝর্ণা, ছড়াগুলো থেকে অবৈধ ভাবে পাথর আহরণের পাচার করে পাথর খেয়েও হজম হয় খেকোদের। কিন্তু পাথর উত্তোলন ও পাচার করার কারণে ঝিড়ি, ঝর্ণা, ছড়াগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সংকটে পানি খেলেও হজম হয়নি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের। চরম ভোগান্তিতে জনজীবন চলছে।
এদিকে থানচি বাসীদের বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক ঝিড়ি, ঝর্ণা, ছড়াগুলোতে ইতিমধ্যে পানি শুকিয়ে তীব্র বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। লামা উপজেলায় আলেক্ষ্যং মৌজায়ও ইতি মধ্যে পানি শুকিয়ে গেছে। যার ফলে এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাপন ও জীবন ধারণের উপর চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। ঝিড়িগুলোতে বিভিন্ন প্রজাতির শামুক, ছোট মাছ, ঝিড়ি চিংড়ি ও কাকড়াগুলো হারিয়ে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
অন্যদিকে কিছু সংখ্যক পার্শ্ববতী চকরিয়া, সাতকানিয়া, আমিরাবাদ, রুমা, লামা ও দোহাজারি এলাকার থেকে অসাধু ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় এলাকার প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী চক্রগুলো সরকারে দলীয় নাম ভাঙ্গিয়ে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে থানচির বিভিন্ন এলাকায় ঝিড়ি, ঝর্ণা, ছড়াগুলো থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে দিবাত্রি পাথর পাচার কাজে অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয়ভাবে পাথর উত্তোলন ও পাচারের বাধা দিলেও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী চক্রগুলো প্রভাবশালী হওয়ায় অসাধু ব্যবসায়ী পাথর খেকোদের হুমকিতে পাথর উত্তোলন ও পাচার করার বদ্ধ করা সম্ভব হয়নি।
তবে প্রশাসন চাইলে পাথর উত্তোলন চক্র মুল হোতাদেরকে চাইলে অভিযান চালিয়ে আইনে আওতায় আনার সম্ভব। পাথর মেশিন বা পাথর উদ্ধার করে তারপর ও থেমে থাকবে নাহ সেই মুল হোতা চক্র। পাথর চক্রটিকে আইনে আওতায় না নিয়ে আসার পর্যন্ত পাহাড়ে সব কিছু ধিরে ধিরে ধংব্বস হয়ে যাবে।

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 www.banglarchokhnews.com  
Theme Customized BY LatestNews