1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : Mohsin Molla : Mohsin Molla
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার রিক্সার লাইসেন্স: “যেই লাউ সেই কদু”
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার রিক্সার লাইসেন্স: “যেই লাউ সেই কদু”

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

কাজী আশরাফুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে যানজট কমাতে পৌ রসভা থেকে ব্যাটারি চালিত রিক্সা ও অটোরিক্সাকে যেই লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে তা কোন কাজে আসছেনা। শহরে রিক্সার পরিমান কমাতে সীমিত পরিসরে রিক্সার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু বর্তমানে যানজট তৈরি হওয়া রাস্তায় যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই লাইসেন্স করা রিক্সা চোখে পড়ে। এমনকি লকডাউনের মধ্যেও শহরে লাইসেন্সধারী রিক্সায় যানজট লেগে থাকে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা থেকে যে সীমিত পরিসরে লাইসেন্স দেওয়ার কথা ছিল শেষ পর্যন্ত এটা কি সীমিতই ছিল কিনা? কেননা, লাইসেন্স দেওয়ার সময় আগে ও পরে আওয়ামীলীগের কিছুনেতা টাকার বিনিময়ে এসব লাইসেন্স দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

শহরে অতিরিক্ত গাড়ির চাপ কমানোর জন্য এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পৌরসভা কর্তৃক তিন হাজার ব্যাটারি চালিত রিক্সা ও ইজিবাইকের মালিককে নির্দিষ্ট ফি’র বিনিময়ে প্রতিটি গাড়ির জন্য আলাদা করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। যদিও এই পরিকল্পনাটি শুরু থেকেই ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। কারন পৌরসভা থেকে অধিক সংখ্যক লাইসেন্সের চাহিদার বিপরীতে সীমিত সংখ্যক লাইসেন্স প্রদান করা হয়, যার বেশিরভাগই সরকারি দলের বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রভাবশালী নে তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটি য়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নেন।

অনেক লাইসেন্স তখন পৌরসভার নির্ধারিত ফি- এর দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণ বেশি দামেও হাতবদল হয়। যার ফলে সাধারণ চালক ও মালিকরা বিপাকে পড়ে যান। পৌর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তখন তারা বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধনও করেন। কিন্তু পৌর এলা কায় যানবাহন সীমিত করার লক্ষ্যে লাইসেন্স প্রদানের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পৌর কর্তৃপক্ষের অটল অবস্থানের কারনে শেষ পর্যন্ত সাধারণ চালক ও মালিকদের ঐসব আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়ে। তাছাড়াও প্রকল্পটি যানজট নিরসনের উপায় বিবেচিত হওয়ায় তখন জেলা প্রশাসন, শহরের সামাজিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগনও পৌরসভার এহেন বিতর্কিত সিদ্ধান্তে কোন হস্তক্ষেপ করেনি।

যার কারনে অনেকটা জোরজবরদস্তিপূর্বক পৌরসভা কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্সবিহীন সকল রিক্সা ও ইজিবাইক শহরের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

 

এমটিকে/বাংলারচোখ

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 www.banglarchokhnews.com  
Theme Customized BY LatestNews