1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : special_reporter : special reporter
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | মাধবপুরে বিশ্বের সবচেয়ে দামি সূর্যডিম আম
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

মাধবপুরে বিশ্বের সবচেয়ে দামি সূর্যডিম আম

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১

লিটন পাঠান (মাধবপুর) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা, ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, শাহজাহানপুর, শাহজিবাজার, ছাতিয়াইন সহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে থোকায় থোকায় ঝুলছে রঙিন আম। এক বা দুইটি নয়- এরকম প্রায় ১২০-১৩০টি গাছে আম ধরেছে। মাধবপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাংবাদিক এরশাদ আলী তিনি এ বছর প্রায় ২০-৩০টি মিয়াজাকি বা ‘সূর্যডিম’ আম গাছ পরিচর্যা করে আসছেন।

তিনিও আশাবাদি যদি আবহাওয়া অনুকুলে থাকে তাহলে তিনিও হবেন একজন সফল আম চাষী। তার এ পরিচর্যার মধ্যে রয়েছে স্বপ্ন। লকডাউনেও থেমে নেই তার গাছের পরিচর্যা। যেমন- গাছের তলায় পানি, সার প্রয়োগ, কীটনাশক প্রয়োগ ইত্যাদি। মাধবপুর বাজারে তার ব্যবসার পাশাপাশি রয়েছে গাছ পরিচর্যা। তিনি শুরু নিজের জন্য নয় প্রত্যেকটি মানুষকে এ আম চাষে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। এটি সাধারণ কোনো আম নয়, বিশ্বের সবচেয়ে দামি আমের খেতাব পাওয়া মিয়াজাকি বা ‘সূর্যডিম’ আম। মাধবপুর উপজেলার প্রথমবারের মতো চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন এক কৃষক। পাহাড়ি ঢালু জমিতে মিয়াজাকি আমের সাফল্যে বিস্মিত কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে পরির্দশনে গিয়ে দেখা যায়, উঁচু পাহাড়ি থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার ভিতরে পাহাড়ের ঢালু অংশে সারি সারি মিয়াজাকি জাতের আমের গাছ। প্রতিটি গাছের বয়স ৩ থেকে ৪ বছর। প্রতিটি গাছেই এবার আম ধরেছে। একেকটি গাছে ৩০ থেকে ৪০টি পর্যন্ত আম দেখা গেছে। প্রতিটি আমের ওজন প্রায় ৩০০ গ্রাম। পুরো আম লাল রঙে মোড়ানো। রঙিন এই আম দেখতে অনেকেই বাগানে ভিড় করছেন। কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, রঙিন আম দেখতেই এখানে এসেছি। মিয়াজাকি আম উপজেলার আগে কোথাও চাষ হয়নি। আমটি দেখতেও সুন্দর এবং খেতেও সুমিষ্ট। প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে এ জাতের আমের আবাদ শুরু হয়েছে। মিয়াজাকি মূলত বিদেশি জাতের আম। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশি প্রজাতি হওয়ায় আমরা ভিন্নপদ্ধতি অবলম্বন করে আমটি চাষাবাদ করেছি। পাহাড়ের ঢালুতে এর আবাদ করেছি। রোপণের চার বছর পর ভালো ফলনও পেয়েছি। আমটির রঙ অত্যন্ত সুন্দর। দেশের বিভিন্ন সুপার শপে এটি পাওয়া যাবে।

অনেক শৌখিন ক্রেতাও আমটি বাগান থেকে কিনে নিয়ে যান। বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে আমাদের দেশের কৃষক লাভবান হবেন। চাষাবাদ পদ্ধতিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। বাজারে প্রচলিত আমের তুলনায় এর দাম কয়েকগুণ বেশি। পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষকরা এ জাতের আম চাষ করে লাভবান হতে পারবেন। মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন হাছান জানান, বর্তমানে প্রচলিত জাতের পাশাপাশি বিদেশি জাতের আম চাষাবাদে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছেন। মাধবপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো জাপানি আম মিয়াজাকির চাষাবাদ শুরু হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম হিসেবে বিবেচিত। পাহাড়ের আবহাওয়ায় এটি চাষাবাদ উপযোগী।

এমটিকে/বাংলারচোখ

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 | বাংলার চোখ নিউজ  
Theme Customized BY LatestNews