1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ | মামলাজট নিরসনে সরকার সচেষ্ট : আইনমন্ত্রী
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

মামলাজট নিরসনে সরকার সচেষ্ট : আইনমন্ত্রী

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময় সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৮ দেখেছেন

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেছেন, মামলা জট নিরসনে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।

 

‘‘ডিভেলপমেন্ট প্ল্যানিং এক্সপরেয়িন্সে ইন বাংলাদেশ’’

আজ ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ‘‘ডিভেলপমেন্ট প্ল্যানিং এক্সপরেয়িন্সে ইন বাংলাদেশ’’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বনানীর বাসা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এই সেমিনারের আয়োজন করে।

 

দেশের মামলাজট সমস্যা একদিনে তৈরি হয়নি

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের মামলাজট সমস্যা একদিনে তৈরি হয়নি, এটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত সমস্যা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারই দেশের মামলাজট সমস্যা সমাধানে প্রথম সচেষ্ট হয়েছেন। এ জট নিরসনে সময় লাগবে। একটি সিস্টেম রাতারাতি পরিবর্তন করা যায় না।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালের পহেলা নভেম্বর বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের সময় বিচার বিভাগের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছিল না। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অবকাঠামো নির্মাণসহ নতুন নতুন বিচারক নিয়োগ দিচ্ছে, বিচারকদের প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি আদালতের বাইরে বিকল্প উপায়ে (এডিআর) বিরোধ মীমাংসা করে মামলাজট কমানোর চেষ্টা করছে। এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগে বিচারকদের স্বাধীনতা, বেতন ভাতা, সুযোগ সুবিধা- সবক্ষেত্রে তাদের প্রতি অন্যান্য সরকারের সবচেয়ে বেশি অনীহা ছিল।

 

স্টোরেজ এবং মজুতদারী দুটি এক বিষয় না।

সেমিনারে এক প্রশ্নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, স্টোরেজ এবং মজুতদারী দুটি এক বিষয় না। মজুতদারীর ব্যাপারে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সরকার জনগণের কষ্ট লাঘব করার জন্য মার্কেটে হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজন হলে সেটা করবে। কারণ ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর আমলে এরকম একটি সংকট তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেজনই মূলত বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ প্রনয়ণ করা হয়েছিল এবং এই আইনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারাটি হলো মজুতদারী এবং চোরাকারবারী।

 

তিনি বলেন, মজুতদারীর ব্যাপারে সরকার শুধু মার্কেটে হস্তক্ষেপ করবে না, আইন অনুযায়ী মজুতদারদের শাস্তি দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার লাভ করার জন্য ব্যবসা করে না। যেখানে বেসরকারি খাতের কোন অবদান নাই, সেখানে সরকার ব্যবসা করে।

 

সেমিনারে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির সভাপতিত্ব করেন, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন।

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 www.banglarchokhnews.com  
Theme Customized BY LatestNews
error: Content is protected !!