1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ | রোজায় ইসবগুলের শরবত খাবেন কেন?
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

রোজায় ইসবগুলের শরবত খাবেন কেন?

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

বাংলার চোখ সংবাদ :

ইসবগুলের শরবত রোজাদারকে আলাদা শক্তি দেয়। এটি সারা দিন রোজা রাখার কারণে শরীরের নিস্তেজ ভাব দূর করতে সাহায্য করে। সারা দিনের ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বাস্থ্যসচেতন রোজাদাররা নিয়মিত ইসবগুলের শরবত খেয়ে থাকেন।

কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ আরও বড় বড় রোগ সারিয়ে তোলে এটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক ইসুবগুলের উপকারিতা সম্পর্কে-

দূর করে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য ও পাইলস

কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থেকে পাইলস রোগ সৃষ্টি হয়। পাইলস রোগীদের সারা বছর ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। এটি খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ৫ থেকে ১০ গ্রাম ইসবগুল এক কাপ হালকা ঠান্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অথবা সাহরিতে খালি পেটে খেয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়। খেতে পারেন ইফতারের শরবতের সঙ্গেও।

উপশম হয় ডায়রিয়া

সাহরি এবং ইফতারে দুইবার ৭ থেকে ২০ গ্রাম ইসবগুলের ভূসি খেলে ডায়রিয়া উপশম হয়। রোগীকে ইসবগুলের শরবত খাওয়ালে মিলবে উপকার। ডায়রিয়া থেকে সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরা সবসময় ইসবগুলের শরবত খান।

রক্ষা করে আমাশয় থেকে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসবগুল আমাশয় রোগের জীবাণু নষ্ট করতে পারে না। তবে আমাশয়ের জীবাণু পেট থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সাহরি ও ইফতারে দুইবার করে ইসবগুলের শরবত খেলে আমাশয় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়েবেটিস থেকে রক্ষা করে

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়েবেটিস রোগীর জন্য ইসবগুলের শরবত দারুণ পথ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অনেক রোজাদার সাহরি ও ইফতারে এটি খেয়ে থাকেন।

হজমে সাহায্য করে

সারাদিন রোজা রাখার কারণে হজম প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিকতা আসতে পারে। বিশেষ করে অনেক রোজাদার ইফতারে ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার কারণে হজমের সমস্যায় ভোগেন। ইফতার খাওয়ার পাশাপাশি ইসবগুলের শরবত খেলে হজমের সমস্যা দূর করা যায়। এটি পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। রমজানে নিয়মিত ইসবগুল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করলে হজমের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

ওজন বাড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়

একটানা ৩০ দিন রোজা রাখার কারণে অনেকের ওজন ক্রমশ বাড়তে থাকে। ওজন বাড়ার পেছনে রয়েছে ইফতার। অধিকাংশ মানুষ রমজানের ইফতারে ভাজাপোড়া খাবার খান। এসব মুখরোচক খাবারের মাধ্যমে বাড়তে থাকে ওজন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে নিয়মিত ইসবগুলের শরবত খান।

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 www.banglarchokhnews.com  
Theme Customized BY LatestNews