1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : Mohsin Molla : Mohsin Molla
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | সিরাজগঞ্জে তাড়াশে ঘড় নির্মান প্রকল্পের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০২:১৯ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জে তাড়াশে ঘড় নির্মান প্রকল্পের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

সেলিম রেজা,স্টাফ রিপোর্টার :

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের দোবিলা ইসলামপুড় সিনিয়ার আলীম মাদ্রাসার নতুন ঘর নির্মান করার জন্য ৪,৫৬,০০০/- হাজার টাকার সরাকারি প্রকল্প দেওয়া হয়। প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক ২নং ওয়ার্ড নওগাঁ।জানাযায়, যে ঘরটি মেরামত করা হয়েছে সেই ঘরটি আধা পাকা ৫০ হাত ঘর ছিলো কিন্ত বজ্রপাতে চালের টিন গুলো পুড়ে যায়া। মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করতে সমস্য হবার করনে এক পর্যায় গ্রাম বাসি মেরামত করার উদ্যগ গ্রহন করেন, এমন কি ৬৮,০০০/- হাজার টাকা গ্রাম বাসি হাড়ি চাঁদা তুলে ছিলেন এবং সেই টাকার ঘর মেরামতের জন্য কাঠ খরিদ করে ছিলেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ভাইরাল হওয়ার কারনে এলাকাবাসির ভিতরে আত্বংকর সৃষ্টি হয়েছে যে কোন সময় যে কোন কিছু ঘটতে পারে।উক্ত মাদ্রাসার মেনেজিং বোর্ডের সভাপতি-মোঃ জয়নুল মৌলবি বলেন, আমাদের এই মাদ্রাসার ঘর মেরামত করেন আমাদের মেম্বার আব্দুল খালেক সে নিজেই জানে এই প্রকল্প কতো টাকার ।

আমরা গ্রাম থেকে মোট ৭০.০০০/ হাজার টাকা কাঠ খরিদ করে দিয়েছি আর প্রকল্পের টাকা হতে সে চাল ও বারিন্দার টিন লাগিয়েছে ও রং করেছে যা, প্রকল্পের অর্ধেক টাকা ব্যায় হয় নাই। বাকী টাকা মেম্বার খালেক কি করেছে সেই ভালো জানে, আমরা এর বাইরে কিছুই জানিনা ?

মাদ্রাসার মেনেজিং বোর্ডেও সদস্য-গাজী মোবারক হোসেন বলেন, আমরা ৭১ যুদ্ধো করে ছিলাম পাকিস্তানের সাথে লক্ষ্য ছিলো স্বাধীন বাংলা গড়ার কিন্ত এখন মনে হলে কষ্ট পাই মাদ্রাসার মেনেজিং বোর্ডের সদস্য হওয়ার পরেও জানলামনা সরকারি প্রকল্পের ৪,৫৬,০০০/- টাকার নতুন ঘর নির্মানের নামে প্রকল্প বাস্তব্যয়ন হইছে কিন্ত মেরামত হওয়ার পরে জানলাম যে, নতুন ঘড় নির্মানের প্রকল্প ছিলো। আমাদের ধারনা ২,০০০০০/- টাকার কাজ মাদ্রাসায় করেছেন আব্দুল খালেক বাঁকী টাকা কোন মাদ্রাসায় লাগিয়েছে তা আমাদের জনা নাই।

উক্ত মাদ্রাসার প্রিন্সিবাল আবুবক্কর ছিদ্দিক জানান, গতো বছর করোনা কালিন সময়ে কাজ ধরেন মাদ্রাসার আমি ঠিক মতো উপস্থি ছিলামনা করোনার ভয়ে কাজটা করার এক মাস আগে চেয়ারম্যান সাহেব ফোনে বলেন যে, তোমাদের মাদ্রাসায় কিছু টাকা দিলাম। আমি যানি সেই টাকা হতে কাজ করছেন মেম্বর আব্দুল খালেক মেরামত হওয়ার পড়ে যানি এই কাজটা সরকারি ৪,৫৬,০০০/- টাকার নতুন ঘড় নির্মান প্রকল্প কিন্ত এই প্রকল্পের সাথে অএ মাদ্রাসার মেনেজিং বোর্ডের কেউ সদস্য নাই। তাই আমি কি কি কাজ করেছি তার একটা নোট করি এবং বাজার মূল্য অনুপাতে দেখা যায় দুই লক্ষ্য থেকে দুই লক্ষ্য পচিশ হাজার টাকার কাজ হয়েছে মেরামতে।

আরো জানান, এই বিষয়কে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মেজবাউল স্যার ডাকেন দের মাস আগে আমাকে বলেন, প্রকল্পের নতুন ঘড় তৈরী হয়েছে কি না আমি বল্লাম স্যার নতুন ঘড় নির্মান হয় নাই কিন্ত আগের বজ্রপাত পড়া ঘরটা মেরামত করেছেন মোটামটি দুই থেকে দুই লাক্ষ পচিশ হাজার টাকা ব্যায় হয়েছে।দোবিলা ইসলামপুর সিনিয়ার মাদ্রাসার নতুন ঘড় নির্মানের সরকারি প্রকল্পের সভাপতি আব্দুল খালেক বলেন আমার বাড়ির সাথে মাদ্রাসা তাই আমি নিজে হাতে একটি টাকাও খরচ করি নাই পরিষদের সচিবের হাত দিয়ে খরচ, সকল ভাউচার তার কাছে আমি ৩,৫০,০০০/হাজার টাকার কাজ করেছি আর গ্রাম বাসি আমাকে ৭০,০০০/-টাকা দেয় নাই।নওগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, সেলিম বলেন আমি একদিন গিয়ে শুধু এক কপি ছবি তুলে এনে ছিলাম ।আর সব মিথ্যা কথা। প্রকল্পের কাজে ভাউচার তো আমার কাছেই থাকবে এক পর্যায়ে মেম্বার আব্দুল খালেক কে ফোন দিলে খালেক কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, দোবিলা ইসলামপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার প্রকল্পে কোন প্রকার দূর্নিতী হয়ে থাকলে আইনগতো ব্যবস্থা নেয়া হবে।এ ব্যাপারে গ্রামবাসিরা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, মেম্বার আব্দুল খালেক একজন কঠিন দুর্নীতিবাজ ও বাটপার ধরনের মানুষ।

 

এমটিকে/বাংলারচোখ

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 www.banglarchokhnews.com  
Theme Customized BY LatestNews