1. [email protected] : mainadmin :
  2. [email protected] : Mohsin Molla : Mohsin Molla
  3. [email protected] : subadmin :
বাংলার চোখ নিউজ | অনলাইন সংস্করণ | হবিগঞ্জে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

হবিগঞ্জে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ

বাংলার চোখ সংবাদ
  • সময়ঃ রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

লিটন পাঠান :

গরুরবাজারে রশিদের মাধ্যমে ক্রেতাদের নিকট থেকে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে দীর্ঘ ২ বছরে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভাধীন গরুরবাজারের ইজারা দীর্ঘ ৩ বছর পূর্বে নিয়েছিল সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১নং সদর ইউনিয়নের বিরাট ভাটিপড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া। ওই সময়ে গরুরবাজারের ইজারা বাবদ ডাক উঠেছিল ১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা ও ভ্যাটসহ ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা।

পরবর্তী সময়ে গরুরবাজার ডাক নেয়ার মত কোন ঠিকাদার পাওয়া না যাওয়ায়, দায়িত্ব পড়ে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার উপর। এরই ধারাবাহিকতায়, পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতি সপ্তাহে অফিসের কাজকর্ম বাদ দিয়ে গরুরবাজারের ক্রেতাদের নিকট থেকে খাস কালেকশন উঠানো শুরু করে। নিয়োগ দেয়া হয় ৬ জন নিরাপত্তাকর্মী বা ভলান্টিয়ার তাদেরকে প্রতি হাটবারে ভাতা দেয়া হয় ৫ শত ও খাওয়া বাবদ ২৫০ টাকাসহ মোট ৭৫০ টাকা। উত্তোলনকৃত খাজনার রশিদে দেখা যায়, কোনটিতে নির্ধারিত খাজনার অতিরিক্ত আদায় করা হয়েছে। আবার কোনটিতে মূল্য উল্লেখ থাকলেও খাজনার ঘরে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।

২০২১ইং সনের ২২ অক্টোবর ৫১০৬নং রশিদ অনুযায়ী ক্রেতা মোঃ ইকরাম মিয়া ৬০০ টাকায় ১টি খাসি ক্রয় করেন। ৬০০ টাকার ফিস বা খাজনা রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। ২০২০ইং সনের ৪ অক্টোবর ৫৭৭৬নং রশিদ অনুযায়ী ক্রেতা মোঃ জলিল মিয়া ৩২ হাজার টাকায় ১টি গাভী ক্রয় করেন। তবে ওই রশিদের ফিসের স্থানে টাকার অংক উল্লেখ নেই। ২০২১ইং সনের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখের রশিদ নং- ১৩২৬২ এ ২৯ হাজার টাকায় একটি (ডেকা বাছুর) গরু ক্রয় করেন একজন ক্রেতা। ফিসের স্থানে ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। একই তারিখের রশিদ নং- ১৩১৩৮ এ ৩০ হাজার টাকায় একটি ডেকা বাছুর (গরু) ক্রয় করেন একজন ক্রেতা। ফিসের স্থানে ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

অথচ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, হবিগঞ্জ, হাট-বাজারের টোল আদায়ের হার, সন-১৪২৮ বাংলা, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা, বাজারের বিভিন্ন স্থানে টানানো চার্ট বোর্ডে দেখা যায়, গরু, মহিষ, ঘোড়া, ছাগল ভেড়া প্রতিটি ১০০ টাকা। অতিরিক্ত ফিস বা খাজনা আদায় করাতে একদিকে যেমন ক্রেতারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হচ্ছে। অপরদিকে খাজনা বা ফিস আদায়কারীরা হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বিগত ২ বছরে ক্রেতা সাধারণের নিকট থেকে কোটি টাকার উপর অর্থ হাতিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা নিয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী।

 

এমটিকে/বাংলারচোখ

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

আরও খবর...
© All rights reserved © 2021 | বাংলার চোখ নিউজ  
Theme Customized BY LatestNews